৫০০ টাকায় এক অন্যরকম চাঁদপুর ভ্রমণের গল্প

আমাদের চাদপুর এর ট্যুর এর দর্শনীয় স্থান ছিলো চাদপুরের “শাহাবুদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ” এবং “বড় স্টেশন, তিন নদীর মোহনা”

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চলে গেলাম সদরঘাট এর “লালকুটি” ঘাটে ,এখান থেকে প্রায় আধাঘন্টা পর পর ই চাঁদপুরের উদ্দেশে একটি লঞ্চ ছেড়ে যায়। ঘাটে যাওয়ায় পর ঘাটে প্রবেশ এর জন্য ৫ টাকা করে টিকেট নিতে হয় কাউন্টার থেকে।

আমাদের প্লান ছিলো আমরা চাপুর যাবো সকাল ৮.৩০ মিনিট এর এমভি বোগদাদীয়া লঞ্চ এ করে,কিন্তু সদরঘাট যাওয়ার সময় রাস্তায় জ্যম পড়ায় আমরা ঘাটে পৌছাতে পৌছাতে ৯ টা বেজে যায় ।তারপর আমরা গিয়েছিলাম সকাল ৯.০০ টার “এমভি রফ রফ” এই লঞ্চটি তে, এর ডেকের ভাড়া ছিলো ৭০ টাকা।

Image may contain: sky, ocean, cloud, outdoor, nature and water

লঞ্চ এর টিকেট কেটে আমরা চলে যাই ৩য় তলার একদম সামনে মাস্টার ব্রিজ এর সামনে সেখানে ছোট একটি সুন্দর বসার যায়গা ছিলো যেখানে ২ জন অনায়েসে সুন্দর করে বসতে পেরেছিলাম, আর এখান থেকে চারপাশ টা এতো সুন্দর দেখাচ্ছিলো যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

তো নদী উপভোগ করার ফাকে ফাকে কিছু ছবি তুলে নিলাম লঞ্চ এর একদম সামনে থেকে।তারপর আড্ডা দিতে দিতে হঠাত দেখলাম আমরা চাদপুর ঘাটের খুব কাছাকাছি এসে পড়েছি। কখন যেন ৩. ঘন্টা সময় চলে গেলো টের ই পেলাম না।

লঞ্চ ঘাটে ভিড়ার সাথে সাথে লঞ্চের চারপাশে ছোট ছোট নৌকায় করে ইলিশ নিয়ে চলে আসে মাঝিরা। তবে আমি রিকোমেন্ড করবো এখানে থেকে মাছ না কিনে আপনি সরাসরি চাদপুরের মাছের আড়ত এ চলে যান , সেখানে একদম টাটকা ইলিশ পাবেন তুলুনামূলক ভাবে কম দামে।

ঘাট থেকে বেড় হয়ে আমরা রিকশা নিয়ে চলে যাই বড় ষ্টেশন পার্ক এ। রিকশা ভাড়া নিলো ২০ টাকা। আর যেতে সময় লাগবে ১০ মিনিট,যদিও আমরা একটু খুজে অটোরিক্সা নিয়েছিলাম, কারণ পায়ের টানা রিকশা গুলো ভাড়া ও বেশি নিবে +সময় ও বেশি নিবে,আর আমাদের হাতে সময় খুব কম ,বিকালের মধ্যে ঢাকার লঞ্চ এ ঊঠতে হবে।

১০ মিনিট পর আমরা চলে আসলাম বড় ষ্টেশন পার্ক এর সামনে , কিন্তু এখন মনে হলো ২ জনের ই পেটে প্রচুর ক্ষুদা,তাই দেরী না করে আমরা আমরা পার্ক এর গেটের সামনে একটা রেস্টুরেন্ট এ খাওয়ার জন্য সিধান্ত নিলাম। খাওয়ার পর যা ঘুরার ঘুরবো,

চাদপুর এ এসে ইলিশ না খেলে কি হয়, কিন্তু আমার ইলিশ নিয়ে একটু ভয় আছে তার ভংকর কাটার জন্য। তাই এক প্লেন্ট চিকেন বিরিয়ানি আর এক প্লেন্ট ইলিশ+ভাত নেয়ার সিধান্ত নিলাম।

Image may contain: one or more people, ocean, sky, beach, cloud, outdoor, nature and water

ইলিশ খাওয়ার সময় আপনি নিজের ইচ্ছামত ইলিশ মাছ নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে ভেঁজে নিতে পারবেন। আর এখানে ৩ রকমের ইলিশ পাওয়ায় যায় ছোট মাঝারী আর বড়। ৭০,১০০,১৫০ টাকা ।

৫ মিনিট এর মধ্যে ইলিশ ভাজা হয়ে গেলে আমরা হাত মুখ দুয়ে খেতে বসে পড়লাম।

কিন্তু এখানে বাধলো সমস্যা। আমরা যেই এক প্লেট চিকেন ব্রিয়ানি নিয়েছিলাম সেটা ছিলো একেবারে ওর্স্ট একটা খাবার,চিকেনটা বেশি ভালো ছিলো না,

কিন্তু ইলিশ টা ছিলো এক কথায় অসাধারণ,মানে টাটকা ইলিশের যে কি স্বাদ সেটা আজকে বুঝতে পারলাম। মানে একদম পার্ফেফেক্ট।

খাওয়া দাওয়া শেষ করে একটু রেস্ট নিতে নিতে মোবাইল হাতে নিয়ে চাদপুর নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি শুরু করে জানতে পারলাম চাদপুরের লক্ষ্মীপুর বাজারের কাছেই একটু সুন্দর বিদ্যালয় আছে,বিদ্যালয়ের ছবিটি দেখলে প্রথমত মনে হবে এটি কোন রিসোর্ট বা কারো বাংলো বাড়ি, কিন্তু না এটি একটি বিদ্যালয়, এমন প্রত্যন্ত এলাকায় এত সুন্দর একটি বিদ্যালয় আসলেই প্রশংসনীয়।

তারপর আমরা স্থানীয় লোকজন দের জিজ্ঞেস করে কোন যথাযথ তথ্য না পেয়ে পুরোপুরি গুগুল ম্যপ এর উপর ভিত্তি করে যাওয়ার সিধান্ত নিলাম,আর আমরা যেই বড় ষ্টেশন পার্ক এর সামনে এসেছিলাম সেখানে খুব রোদ থাকায় চিন্তা করলাম আমরা স্কুল ঘুরে এসে বিকালের সময় টা এখানে কাটাবো, কারণ জায়গাটা বিকালে জায়গা টা খুব অসাধারণ লাগবে বুঝা যাচ্ছিলো।

রেস্টুরেন্ট থেকে বেড় হয়ে পার্ক এর গেট এর সামনে থেকে লক্ষীপুর বাজার যেতে হলে আমাদের কে আগে যেতে হবে পালে বাজার ব্রিজ এর গোড়া, সেখান থেকে সি এন জি করে লক্ষীপুর বাজার । পার্ক এর গেটের সামনে থেকে পালে বাজার ব্রিজ এর অটো ভাড়া ১৫ টাকা, রিকসা ভাড়া ৪০ টাকা,

Image may contain: sky, cloud and outdoor

অটো ১৫ মিনিট চলার পর চলে আসলাম পালে বাজার ব্রিজ এর গোড়ায়, সেখান থেকে হেটে একটু ব্রিজ এর গোড়ায় গেলেই আপনি লক্ষ্মীপুর বাজারে যাওয়ার সি এন জি পাবেন। ভাড়া নিবে জন প্রতি ২৫ টাকা।

দুরুত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটারে আর সময় লাগে প্রায় আধা ঘন্টা। পুরো রাস্তাটি খুব সুন্দর কিন্তু মাঝে ১ কিলোর মত ভাঙ্গা রাস্তা।

প্রায় ৩০ মিনিট সি এন জি চলার পর চলে আসলাম লক্ষ্মীপুর বাজারে,আর সি এন জি মামাকে আমরা আগেই বলেছিলাম আমরা যাবো শাহাবুদ্দিন স্কুলে যাবো, তাই তিনি সি এন জি থেকে নামার পর বিদ্যালয়ের রাস্তা টি দেখিয়ে দিলো। মেইন রাস্তা থেকে নামার পর ২ মিনিট হাটার পথ স্কুল টি। পথিমধ্যে একটা ছোট ব্রিজ ও পড়বে যার নীচ দিয়ে শহরের দিকে চলে গেছে বড় একটি খাল।

তারপর আমরা একটু সামনে যাওয়ার পর ই ছবিতে দেখা সেই বিদ্যালয় এর মসজিদ টি দেখতে পেলাম,আর আমাদের সব ক্লান্তি দূরে চলে গেলো এত সুন্দর স্থাপনা দেখে।

এ স্কুলের ভবনটি সত্যিই অসাধারণ। সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী একটি স্থাপনা। স্থানীয়দের মতে, এটি ইউরোপিয়ান স্টাইলে তৈরিকৃত একটি ভবন। যার প্রতিটি অংশই দেশের অন্য সব স্কুল ভবনের চেয়ে আলাদা। দ্বিতলা এই ভবনে ছাদের পরিবর্তে দেওয়া হয়েছে কারুকাজে সজ্জিত সিমেন্ট শীটের ছাউনি। ভবনের মাঝখানে এবং একেবারে পূর্বপাশে রয়েছে দুটি প্রশস্ত সিঁড়ি। পূর্বপাশের সিঁড়ির নিচে স্কুলের অফিস কক্ষ। উভয় তলাতেই আছে প্রশস্ত বারান্দা। শ্রেণিকক্ষগুলো দারুণভাবে সাজানো রয়েছে। এখানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠদান করা হয়। ভবনটির চারপাশ অনেকটা খোলামেলা। শুধু শ্রেণিকক্ষগুলোর অর্ধেক উঁচু পর্যন্ত রঙিন টিনসেডে আবৃত।

২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শাহাবুদ্দিন অনু লক্ষীপুর গ্রামের এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন। ওই বছরই ১১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে নান্দনিক এই স্কুল নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি। শাহাবুদ্দিন ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পায় ‘শাহাবুদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ’। বিগত দু’বছর থেকে স্কুলের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। এখানে প্লে থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত বর্তমানে প্রায় ১৬৮জন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করছে। আগামীতে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কলেজ পর্যায়ে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘুরা ফেরা শেষ করে আমরা ঝটপট কয়েকটি ছবি তুলে নিলাম। তারপর বিদ্যালয় ত্যগ করে আবার হেটে চলে গেলাম মেইন রাস্তায়। সেখানে একটু দাড়ালেই সি এন জি পেয়ে যাই আবার সেই পালে বাজার ব্রিজ এর জন্য। আবার ৩০ মিনিট সি এন জি জার্নির পর চলে গেলাম পালে বাজার ব্রিজ এর গোড়া, সেখানে থেকে এবার ৩০ টাকায় অটো রিকশা পেয়ে চলে গেলাম আবার সেই বড় ষ্টেশন পার্ক এর গেইট। তখন প্রায় দুপুর গড়িয়ে বিকেল ৪ টা বাজে, আমরা সিধান্ত নিলাম এক ঘন্টা এদিকে ঘুরা ফেরা করে ঠিক ৫ টার এমভি বোগদাদীয়া এই বিশাল আকৃতির লঞ্চে করে ঢাকা ব্যক করবো।

পার্ক বলতে জায়গাটা তেমন কোন পার্ক না, মোটা মোটী খোলামেলে একটি নদীর পাড়, কিন্তু জায়গা টা অসাধারণ ,সা রাদিনের ক্লন্তি মুছে ফেলার জন্য একটা ডাব খেয়ে নিলাম দরদাম করে ৪০ টাকা দিয়ে। দাব খাওয়ার পর মনে হলো না এইরকম জায়গায় বসে এক কাপ রঙ চা না খেলে কিছু একটা মিসিং হয়ে যাবে, তাই এক কাপ চা নিয়ে কবি স্টাইলে খেতে খেতে আশে পাশের দৃশ্য উপভোগ করতে লাগলাম। যায়গায় টা আসলেই একটা গল্পের মত, নদীর পাশে অনেক গুলো ছোট ছোট ইঞ্জিল চালিতো নৌকা আছে যেগুলো দিয়ে আপনারা একটু নদী ভ্রমণ করতে পারবেন,আর হ্যা বলে রাখা ভালো এখানে কিন্তু তিনটি নদীর মোহনা “পদ্মা, মেঘনা, এবং ডাকাতিয়া” তাই নদীতে প্রচুর স্রোত তাই এখানে গোসল করা কিংবা যারা সাতার জানেন না তারা নদীতে নামার দূঃসাহস না দেখানো টাই ভালো।

পুরো জায়গা টা একবার রাউন্ড দিয়ে হুট হাট কয়েকটা ছবি তুলতেই ঘড়িতে দেখলাম আমাদের হাতে আর ১৫ মিনিট সময় বাকি। মানে ৪.৪৫ বাজে আর আমাদের লঞ্চ ঠিক ৫.০০ টায় । তাই তাড়াতারি করে চলে গেলাম আবার লঞ্চ ঘাট এ, আবার রিকাশা ভাড়া ২০ টাকা। লঞ্চ ঘাটে যাবার পর ৫ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে লঞ্চ ঘাটে প্রবেশ এর পর দেখলাম থেমে আছে সেই বিশাল আকৃতির এম ভি বোগদাদীয়া। লঞ্চে উঠেই বুঝতে পারলাম এটা খুব সুন্দর একটা লঞ্চ। একটু এগিয়ে টিকেট কাউন্টার থেকে ১০০ টাকা দিয়ে ২ জনের ২ টি ডেকের টিকেট নিয়ে চলে গেলাম একদম লঞ্চ এর ছাদে। এই নঞ্চ এর ছাদ মানে ছোট খাটো একটা পার্ক , এক কথায় অসাধারণ। মাঝখানে একটি গোল টেবিল। আর চারপাশে ছোট ছোট বসার টুল এর মত ব্যবস্থা। তাই তারাতারি করে এক পাশে বসে পড়লাম , কিছুক্ষণের মধ্যেই লঞ্চ ছেড়ে দিলো। বিকালের পরিবেশ টা এখান থেকে এত সুন্দর লাগছিলো যা বলে বুঝানো যাবে না।

১০০ টাকায় এই সিট এ বসে আপনি সেই ফিল পাবেন ৩৫০ টাকার এসি কেবিনে এর কানাকড়ি ও পাবেন না।

এই ছিলো আমাদের চাদপুর ট্যুর এর আদ্যপান্ত। সব ডিটেলস তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, তাই অনেক কথা বলতে হয়েছে ।

এবার পুরো খরচ আবার বলি(২ জনের হিসাব এক সাথে)ঃ

সদর ঘাট এ প্রবেশ এর টিকেট- ০৫+০৫=১০ টাকা

যাওয়ার সময় লঞ্চ ভাড়া- ৭০+৭০=১৪০ টাকা

চাদপুর লঞ্চ ঘাট থেকে বড় ষ্টেশন রিকশা ভাড়া-২০ টাকা

খাওয়া দাওয়া- ২ জনের ৩০০ টাকা।

বড় ষ্টেশন থেকে পালে বাজার ব্রিজ অটো ভাড়া – ১৫+১৫= ৩০ টাকা

পালে বাজার ব্রিজ থেকে লক্ষ্মীপুর বাজার- ২৫+২৫=৫০ টাকা

এবার ফিরতি পালা।ঃ

এবার আবার সি এন জি দিয়ে পালে বাজার ব্রিজ এ ব্যক= ৫০ টাকা

ব্রিজ থেকে আবার বড় ষ্টেশন ব্যক- ৩০ টাকা

বড় ষ্টেশন থেকে লঞ্চ ঘাট ব্যক রিকশা ভাড়া– ২০ টাকা

ঘাটে প্রবেশ-০৫+০৫=১০ টাকা

ঢাকার লঞ্চে ব্যক- ১০০+১০০=২০০ টাকা

মোট খরচ_ ৮৬০ টাকা ২ জনের(বাকী ১৪০ টাকা আমরা হাবিজাবি খরচ ধরে নিলাম তার মানে এক জনের খরচ হলো ৫০০ করে ।)

এই ছিলো আমাদের আরেকটি বাজেট ট্রাভেল।

{পরিশেষে একটা কথা বলে রাখি,যারা বিদ্যালয় টি ঘুরতে যাবনে তারা খুব সাবধান,বিদ্যালয় এর প্রশাশন রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে বাইরে থেকে আশা টুরিস্ট দের সামাল দিতে,অনেকে নাকি এমন ও করেছে বিদ্যালয় চলাকালীন সময় এ ,শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে সেলফি তুলেছে,এইগুলো থেকে বিরত থাকবেন,আর অবশ্যই ২ টার পরে যাবার চেষ্টা করুন, তাহলে স্কুল শেষ হবার পর আপনি সুন্দর ভাবে ঘুরতে পারবেন।}

লিখেছেনঃ The_fahimx

দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।

73026431_499309080801214_5121852103681114112_n
74615407_604237516988756_3060769724364226560_n

Tourplacebd.com