You cannot copy content of this page

মিঠাপুর জমিদার বাড়ি, মাদারীপুর

মিঠাপুর জমিদার বাড়ি (Mithapur Zamindar Bari) বাংলাদেশ এর মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর সদর উপজেলার মিঠাপুর নামক গ্রামে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। কবে নাগাদ এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বা কে এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা তার সঠিক তথ্য জানা যায় নি। তবে এই জমিদার বংশের কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম ইতিহাস থেকে জানা যায়। তারা হলেন জমিদার গোলাম মাওলা চৌধুরী, জমিদার গোলাম ছাত্তার চৌধুরী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর জি.ডাব্লুর চৌধুরী। এই জমিদার বংশধররা ছিলেন মুসলিম ধর্মালম্বী।

কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে গাবতলি বা কেরানীগঞ্জ (নয়া বাজারের ব্রীজের ওপারে) থেকে মাদারীপুর এর সরাসরি বাস পাওয়া যায়। গাবতলি থেকে বরিশালগামী যে কোন বাসে মস্তফাপুর নেমে বাস বা অটো রিক্সায় করে মাদারীপুর সদরে আসা যায়।

কেরানীগঞ্জ থেকে সার্বিক বাসে মাদারীপুর সদরের ভাড়া ২০০ টাকা জন প্রতি (নরমাল ২/৩ সিটের), ২৫০ টাকা জন প্রতি (চেয়ার)। সকাল ৫ টা থেকে ৩০ মিনিট পর পর বাস পাওয়া যায়।এছারাও সায়দাবাদ থেকে সোনালি বাস ও কেরানীগঞ্জ থেকে চন্দ্রা বাস ও একি রুটে চলে। ভাড়া সার্বিকের চেয়ে সামান্য কম। এই বাস গুলো মাওয়া ঘাটে নামিয়ে দিবে এবং তাদের খরচে লঞ্চে করে নদী পার করে কাওরাকান্দি এনে আবার তাদেরই আরেকটা বাসে তুলে দিবে। ভাঙ্গা হয়ে এটা মাদারীপুর যাবে। আপনাকে অতিরিক্ত কোন ভাড়া দিতে হবে না। মাদারীপুর যেতে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা সময় লাগে।

গাবতলি থেকে সার্বিক, চন্দ্রা, সুবর্ণ বাস চলে। সার্বিকই ভাল। চেয়ারে ৩০০ টাকা শুনেছি। আমি এই রূট দিয়ে যাইনা, সময় বেশী, ভাড়া বেশী, তবে নদীর পথ অনেক কম। মাত্র ৩০ মিনিট। যারা নদী ভয় পান তারা এদিক দিয়ে যেতে পারেন। এটা গাবতলি থেকে আরিচা গিয়ে নামাবে এবং নদী পার করে দৌলতদিয়া ঘাটে আবার তাদের বাসে তুলে দিবে। এটা ফরিদপুর সদর হয়ে মাদারীপুর যাবে।

আরেকটা উপায়ে যাওয়া যায়, ভেঙ্গে ভেঙ্গে। গুলিস্তান থেকে মাওয়ার বাসে ৭০ টাকা ভাড়া। সী বোটে নদী পার হতে পারেন ২০০ টাকা ভাড়া। ওপার থেকে মাদারিপুরের বাসে যাওয়া যায়। অথবা ভাঙ্গার বাসে ভাঙ্গা এসে সেখান থেকে মাদারীপুর।

মাদারীপুর সদর থেকে অটোরিক্সা দিয়ে মিঠাপুর যেতে হবে। ওখানে যেয়ে যে কোন কাউকে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দিবে।

কোথায় থাকবেন
মাদারীপুরে থাকার জন্য ভাল মানের হোটেল হচ্ছে হোটেল সার্বিক। মন্ত্রীর বাসার পাশেই এই হোটেলের অবস্থান। হোটেল মাতৃভূমি আছে, যা পুরাতন বাসস্টান্ড এর পাশেই অবস্থিত। সার্বিক হোটেলে সিঙ্গেল থেকে শুরু করে স্যুটও ভাড়া পাওয়া যায়। এছাড়া আরেকটু কমে থাকতে চাইলে হোটেল সুমন, হোটেল সৈকত আছে বাদামতলায়। পুরান বাজারে আরও কিছু হোটেল আছে কমের মধ্যে।

দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।

Tourplacebd.com