You cannot copy content of this page

মধুটিলা ইকোপার্ক, শেরপুর

শেরপুর জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে নালিতাবাড়ী উপজেলায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারিভাবে মধুটিলা ইকো পার্ক (Madhutila Eco Park) এর অবস্থান। মধুটিলা ইকোপার্কে শোভাবর্ধনকারী ও বিরল প্রজাতির বৃক্ষের বনায়নের পাশাপাশি আছে বিশ একরের ঔষধি বৃক্ষের বনায়ন। এছাড়া রয়েছে রেস্ট হাউজ, বাসগৃহ, বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, স্টার ব্রিজ, পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট এবং বসার স্থান। মধুটিলার লেকে ঘুরে বেড়ানো জন্য ৫ টি দেশীয় নৌকা ও ৩টি প্যাডেল বোট রয়েছে। বর্তমানে বিনা পয়সায় মধুটিলা ইকোপার্ক ও পর্যটন কেন্দ্রটিতে ঘুরে বেড়ানো যায়। সবুজের সমারোহ আর পাহাড়ের হাতছানিতে প্রতি বছর সারাদেশ থেকে সৌন্দর্য্য প্রিয় মানুষ মধুটিলায় বেড়াতে আসেন। মধুটিলা ইকোপার্কের খুব কাছেই রয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র, হাতে সময় থাকলে সেখান থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

মধুটিলা ইকো পার্ক যাওয়ার উপায়
ঢাকা থেকে মাক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মিনিবাস কিংবা বাস রিজার্ভ নিয়ে সরাসরি চলে যেতে পারেন মধুটিলা ইকোপার্কে। এছাড়া মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ড্রিমল্যান্ড, আনন্দ, তুরাগ ইত্যাদি বিভিন্ন বাস সার্ভিসের বাসে ৯০ থেকে ১৪০ টাকা ভাড়ায় শেরপুর আসতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন এই সব বেশিরভাগ বাস যাত্রাপথে অনেক স্টপেজে থামে তাই ঝামেলা এড়াতে শুধুমাত্র ড্রিমল্যান্ড স্পেশাল বাসে ১৯০ থেকে ২২০ টাকায় এসি/নন-এসিতে যাত্রা করতে পারেন। মহাখালী থেকে দুপুর ২ টায় শেরপুর যাবার এসি বাস ছাড়ে। শেরপুর থেকে সিএনজি অথবা পিকআপ ভ্যানে সরাসরি মধুটিলা ইকোপার্কে বা পিকনিক স্পটে চলে আসতে পারবেন। শেরপুর থেকে মধুটিলা ইকোপার্কের দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার।

কোথায় থাকবেন
সাধারণত ঢাকা থেকে দিনে এসে দিনেই মধুটিলা ইকোপার্ক দেখে ফিরে যেতে পারবেন। শেরপুর জেলায় ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় সাধারণ মানের গেষ্ট হাউজের পাশাপাশি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় হোটেল সম্পদ, কাকলী , বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা নামের বেশকিছু মাঝারি মানের হোটেল রয়েছে। শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎ এর পৃথক পৃথক রেষ্ট হাউজ রয়েছে।

ফোন নাম্বারঃ সার্কিট হাউজ – ০৯৩১-৬১২৪৫, হোটেল সম্পদ – ০১৭১২৪২২১৪৫, কাকলী গেষ্ট হাউজ – ০১৯১৪৮৫৪৪৫০, হোটেল সাইদ – ০৯৩১-৬১৭৭৬, আরাফাত গেস্ট হাউজ – ০৯৩১ – ৬১২১৭, বর্ণালী গেস্ট হাউজ – ০৯৩১ – ৬১৫৭৫।

কোথায় খাবেন
খাবার খেতে শেরপুর চলে আসা সবচেয়ে ভাল হবে। শেরপুর শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় হোটেল শাহজাহান, হোটেল আহার এবং হোটেল প্রিন্সে যেতে পারেন।

দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।

Tourplacebd.com