You cannot copy content of this page

বিথাঙ্গল বড় আখড়া (বিতঙ্গল আখড়া) বাংলাদেশের অন্যতম তীর্থস্থান

বিথাঙ্গল বড় আখড়া বিতঙ্গল আখড়া নামেও পরিচিত । এটি বাংলাদেশ এর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলাতে অবস্থিত । এটি বৈষ্ণব ধর্ম-অবলম্বীদের জন্য একটি অন্যতম তীর্থস্থান । এটি ষোড়শ শতাব্দীর দিকে নির্মিত একটি আখড়া। এটি নির্মাণ করেছেন রামকৃষ্ণ গোস্বামী । বর্তমানে এটি মধ্যযুগীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত পর্যটকদের জন্য একটি অনন্য দর্শনীয় স্থান ।

বিবরণ ও ইতিহাস

বিথাঙ্গল বড় আখড়া বৈষ্ণব্ধর্মালম্বীদের জন্য একটি অন্যতম তীর্থস্থান । এটি বানিয়াচং উপজেলা সদর হতে প্রায় ১২ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে বিতঙ্গল গ্রাম অবস্থিত। এই আখড়ার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন রামকৃষ্ণ গোস্বামী । রামকৃষ্ণ গোস্বামী তৎকালীন এই উপমহাদেশের বিভিন্ন তীর্থস্থান ভ্রমন করেন । পরে ষোড়শ শতাব্দীতে এই স্থানে তিনি আখড়া প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । এই আখড়াতে ১২০ জন বৈষ্ণবের ব্যাবহারের জন্য মোট ১২০ টি কক্ষ রয়েছে।

বর্তমানে এই আখড়ায় বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়। এই উৎসবগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্তিকের শেষ দিনে কীর্তন, দোল উৎসব, ভক্তগণের পূণ্যস্নান , রথযাত্রা , বারুনী মেলা, প্রভিতি উল্লেখযোগ্য। এই আখড়ার দর্শনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে রয়েছে ২৫ মণ ওজন এর শ্বেত পাথরের তৈরি একটি চৌকি, একটি পিতলের তৈরি সিঙ্ঘাসন, রথ, রুপার তৈরি পাত্র এবং সোনার তৈরি একটি মুকুট উল্লেখযোগ্য ।

আখড়ার প্রবেশদ্বারটিও বিশাল। এর মাঝে পুরাতন কারুকাজ, নকশা ও মূর্তির আকৃতি সত্যিই চোখ ধাঁধানো। আমরা প্রবেশ করলাম। ঘুরে ঘুরে সব দেখলাম এবং জানলাম। বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থস্থান এ প্রাচীন আখড়া। আখড়াটি বানিয়াচং উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে হাওর পাড়ে অবস্থিত।

জানামতে, আখড়াটি রামকৃষ্ণ গোস্বামী প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি উপমহাদেশের বিভিন্ন তীর্থস্থান সফর করে ষোড়শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এতে ১২০ জন বৈষ্ণবের জন্য ১২০টি কক্ষ রয়েছে। এ আখড়ায় বিভিন্ন ধরনের উৎসব হয়। সে সময় ধর্মাবলম্বী মানুষ জড়ো হয়।

আখড়ায় দর্শনীয় স্থানসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো ২৫ মণ ওজনের শ্বেত পাথরের চৌকি, পিতলের সিংহাসন, সুসজ্জিত রথ, রৌপ্যপাত্র ও সোনার মুকুট উল্লেখযোগ্য।

শেষে বারবার বলতে ইচ্ছে হয়, বিতঙ্গল আখড়াটি মধ্যযুগীয় স্থাপত্যশৈলী অনুসারে নির্মিত। স্থানটি ধর্মভীরুদের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্যও দর্শনীয়।

কিভাবে যাওয়া যায়

বৈষ্ণব্ধর্মালম্বীদের জন্য অন্যতম তীর্থস্থান এই আখড়া বানিয়াচং উপজেলা সদর থেকে ১২ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিম হাওড় পাড়ে বিতঙ্গল গ্রাম অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠাতা রামকৃষ্ণ গোস্বামী। তিনি উপমহাদেশের বিভিন্ন তীর্থস্থান সফর শেষে ষোড়শ শতাব্দীতে ঐ স্থানে আখড়াটি প্রতিষ্ঠা করেন। এতে ১২০ জন বৈষ্ণবের জন্য ১২০ টি কক্ষ রয়েছে। এ আখড়ায় বিভিন্ন ধরণের ধর্মীয় উৎসব হয়। এর মধ্যে কার্তিকের শেষ দিনে ভোলা সংক্রান্তি উপলক্ষে কীর্তন, ফাল্গুনের পূর্ণিমা তিথিতে দোল পূর্ণিমার ৫ দিন পর পঞ্চম দোল উৎসব, চৈত্রের অষ্টমী তিথিতে আখড়া সংলগ্ন ভেড়ামোহনা নদীর ঘাটে ভক্তগণের পূণ্যস্নান ও বারুনী মেলা, আষাড় মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে রথযাত্রা উল্লেখযোগ্য। আখড়ার দর্শনীয় স্থানস্মূহের মধ্যে ২৫ মণ ওজনের শ্বেত পাথরের চৌকি, পিতলের তৈরি সিঙ্ঘাসন, সুসজ্জিত রথ, রৌপ্য পাত্র ও সোনার মুকুট উল্লেখযোগ্য। মধ্যযুগীয় স্থাপত্যশৈলীর অনুকরণে নির্মিত এই আখড়াটি পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থান।

দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।

Tourplacebd.com